এইমাত্র পাওয়াঃ আল্লাহর গজবে ধ্বংস হতে চলেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল

এইমাত্র পাওয়াঃ আল্লাহর গজবে ধ্বংস হতে চলেছে ইহুদিবাদী ইসরাইল ।






মধ্য প্রাচ্যের দেশ ইসরাইলে ৬৩০টি দাবানলের আগুন নিভাতে কাজ করছে ৪৮০টি অগ্নিনির্বাপক বিমান, প্রায় ২,৫০০ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী। এখন পর্যন্ত এসব বিমানের সাহায্যে আড়াই লাখ টন পানি মাটিতে ফেলা হয়েছে। কিন্তু কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না এই আগুন।

ইসলাম ধর্মের পবিত্র আযানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নেয়ার পর থেকে শুরু হওয়া এই দাবানল এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় নি। দাবানল অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদি বসতি এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।





ইসরাইলে আযানের উপর নিষেধাজ্ঞার পর ভয়াবহ দাবানল; নিয়ন্ত্রনে আসেনি এখনো

ইহুদিবাদী ইসরাইলে শুরু হওয়া দাবানল এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয় নি। দাবানল অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদি বসতি এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।

আন্তজার্তিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রচণ্ড খরা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে চলতি সপ্তাহে অধিকৃত ইসরাইলি ভূখণ্ডে দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। দাবানলে সেখানকার আবাসিক এলাকা এবং বনাঞ্চল ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ।

এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেছেন, দাবানল নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে ইসরাইল। গ্রিস, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি ও সাইপ্রাস থেকে অগ্নিনির্বাপণ বিমান আসছে। প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল সিসির নির্দেশে দুটি যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে মিসর। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও রাশিয়া সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।

অনেকের দাবি ইসলাম ধর্মের পবিত্র আযানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নেয়ার পর থেকে ইসরাইলে এ ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

দাবানলের আগুন নেভাতে কাজ করছে ৪৮০টি অগ্নিনির্বাপক বিমান, প্রায় ২,৫০০ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী। রোববার এসব বিমানের সাহায্যে আড়াই লাখ টন পানি মাটিতে ফেলা হয়।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সব ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকমের সহায়তায় আশ্বাস দিয়েছেন। বন রক্ষা করার প্রচেষ্টায় অতিরিক্ত কর্মী যোগদান করেছে বলে কর্মকর্তারা জানান। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হাইফা শহরের লোকজন ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করছে।

এদিকে, ইহুদীবাদী ওই দেশটির ব্যাপক দাবানল নিয়ন্ত্রণে মিসর ও চার ইউরোপীয় দেশ বিমান পাঠিয়েছে। শুক্রবার নেতানিয়াহু বলেছেন, ভয়াবহ দাবানলে কয়েকটি ছোট শহর থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে হয়েছে। দাবদাহের কারণে দেশটির তাপমাত্রা আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে।

যে কোন পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা ইরাকের!

যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ইরানের চরম উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিবেশি দেশ ইরাক। ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ জাভেদ জারিফ ইরাক সফরে গেলে সেদেশের নেতারা তাকে এ আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে যুদ্ধের ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংকট সমাধানে মধ্যস্থতারও প্রস্তাব দিয়েছে ইরাক।

ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মাদ আলী আল-হাকিম বলেন, ‘আমরা সততার সঙ্গে স্পষ্টভাবে বলছি, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কোন একতরফা পদক্ষেপ নিয়ে ইরাক এর বিরোধিতা করবে। আমরা ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের পক্ষে আছি।’





মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত দেড় হাজার সৈন্য মোতায়েনে ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের পর প্রতিবেশি দেশ ইরাক সফরে যান জারিফ। ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জারিফ বলেন, ‘আমরা বর্তমানে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ এড়াতে সার্বিক চেষ্টা চালাচ্ছি। সেটা হোক অর্থনৈতিক বা সামরিক যুদ্ধ।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা শক্তি দিয়ে তাদের প্রতিহত করবো এবং আমরা তাদের প্রতিরোধ করবো।’ আলী আল-হাকিম বলেন, ‘তেহরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কোন প্রয়োজন নেই। কারণ এতে ইরানের জনগণের অনেক ভোগান্তি হচ্ছে।’

ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় জানায়, দেশটির প্রধানমন্ত্রী আদেল আব্দেল মাহদি শনিবার রাতে জারিফের সঙ্গে সাক্ষাতকালে যুদ্ধের ঝুঁকির বিষয়ে ইরানকে সতর্ক করে দেন। তেহরান ও বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলোর মধ্যে হওয়া ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির কথা উল্লেখ করে তার কার্যালয় আরো জানায়, আব্দেল মাহদি এ অঞ্চলের স্থিতিশীলতার এবং পরমাণু চুক্তি সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে ইরাকের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় জানায়, দেশটির প্রেসিডেন্ট বারহাম সালেহ সার্বিক যুদ্ধ বা উত্তেজনা প্রতিহত করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে জারিফের সঙ্গে আলোচনা করেন। শনিবার জারিফ এ অঞ্চলে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েনকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য একটি হুমকি হিসেবে অভিহিত করেন।


প্রচণ্ড খরা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে চলতি সপ্তাহে অধিকৃত ইসরাইলি ভূখণ্ডে দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। দাবানলে সেখানকার আবাসিক এলাকা এবং বনাঞ্চল ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ।

দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সব ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকমের সহায়তায় আশ্বাস দিয়েছেন। বন রক্ষা করার প্রচেষ্টায় অতিরিক্ত কর্মী যোগদান করেছে বলে কর্মকর্তারা জানান। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হাইফা শহরের লোকজন ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করছে।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট

ইসরাইলের ভয়াবহ দাবানল নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। ইহুদি রাষ্ট্রটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনিরা আমাদের সহায়তা করেছেন। এই সহায়তা অবশ্যই তাৎপর্যপূর্ণ। মিসরের প্রেসিডেন্ট আল সিসি মানবিক সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন। সংকটের মুহূর্তে প্রতিবেশীদের সহায়তায় আমি অবশ্যই কৃতজ্ঞ। আমরাও তাদের বিপদে সহায়তা নিয়ে এগিয়ে যাই।






এদিকে ইহুদীবাদী ওই দেশটির ব্যাপক দাবানল নিয়ন্ত্রণে মিসর ও চার ইউরোপীয় দেশ বিমান পাঠিয়েছে। শুক্রবার নেতানিয়াহু বলেছেন, ভয়াবহ দাবানলে কয়েকটি ছোট শহর থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে হয়েছে। দাবদাহের কারণে দেশটির তাপমাত্রা আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে।

এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেছেন, দাবানল নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে ইসরাইল। গ্রিস, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি ও সাইপ্রাস থেকে অগ্নিনির্বাপণ বিমান আসছে।

তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল সিসির নির্দেশে দুটি যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে মিসর। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও রাশিয়াও সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে। নেতানিয়াহু বলেন, সম্ভাব্য সবচেয়ে ভালো উপায়ে পরিস্থিতি এমন জায়গায় নিয়ে আসা হয়েছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি আমাদের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে। বাতাস সত্যিই অতিরিক্ত গরম।

ইসরাইলের অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার বিভাগ জানিয়েছে, জেরুজালেম ও তেলআবিবের মধ্যে মূল করিডোরের আগুন নেভানো হয়েছে। সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে নতুন করে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি রয়েছে।

দেশটির কর্মকর্তারা বলেন, দেশটির ছোট ছোট শহর থেকে ৩৫ হাজার অধিবাসীকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দাবানলে কয়েক ডজন বসতবাড়ি ভস্মীভূত হয়ে গেছে।