ভারত-পাকিস্তান সংঘাত: কাশ্মীরের সর্বশেষ যে অবস্থা

ভারত এর হাত থেকে কাশ্মীরকে বাঁচাতে এবার বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করছে পাকিস্তান – | বিস্তারিত ভিতরে

কাশ্মীরে ২ হাজার স্যাটেলাইট ফোন, ড্রোন, ৩৫ হাজার নতুন সেনা

 










এবার থেকে সরাসরি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার শাসিত অঞ্চল হলো জম্মু-কা*শ্মীর এবং লাদাখ। আর বিশেষ মর্যাদা রইল না ভারতের প্রদেশটির। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে রীতিমত অসন্তুষ্ট পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। ইসলামাবাদ সরকারিভাবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে জানিয়েছে, পাকি গতকালই জম্মু-কা*শ্মীরে মোদি সরকারের তীব্রপ্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন

পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।তিনি জানিয়েছেন, ভারত কা*শ্মীর নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা অত্যন্ত আপত্তিকর। কা*শ্মীরের বাসিন্দাদের মতামত না নিয়েই একতরফা সিদ্ধান্ত হয়েছে। জাতিসংঘের বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে এই সিদ্ধান্তে।

পাকিস্তান এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।কা*শ্মীর ইস্যুর শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় পাকিস্তান। এবং কা*শ্মীরিদের মতামত নিয়েই সেই সমাধান করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। ইসলামাবাদ সরকারিভাবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে জানিয়েছে,

পাকিস্তান কোনোভাবেই কা*শ্মীরের ৩৭০ ধারার বিলোপ মেনে নেবে না।পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ ফয়সল রেডিও বার্তায় জানিয়েছেন, পাকিস্তান কখনও কা*শ্মীর থেকে ৩৭০ ধারার বিলোপ মেনে নেবে না।

কা*শ্মীরের মানুষও এই সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন না বলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি। দিল্লির এই সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়বে কার্তারপুর করিডরে। কারণ এই কার্তারপুর করিডর নিয়ে দিল্লির সঙ্গে ইসলামাবাদের যে বৈঠকে বসার কথা ছিল সেটা আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান।পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। ইসলামাবাদ সরকারিভাবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে জানিয়েছে, পাকি গতকালই জম্মু-কা*শ্মীরে মোদি সরকারের

অল্প সময়ে শিশুদের কচি মনে পবিত্র কুরআনুল কারিম মুখস্থ থাকা মহান আল্লাহর অসীম রহমত ও কুরআনের অন্যতম মুজিজা। হাফেজ সাদিক নূরই এর প্রমাণ।

বগুড়া সদর উপজেলার বড় কুমিরা গ্রামের মুহাম্মাদ আতাউর রহমান ও মা আঁখি বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় সাদিক নূর। বর্তমানে তার বয়স ৯ বছর ৬ মাস। এ অল্প বয়সেই সাদিক নূর মাত্র ৪০ দিনে পুরো কুরআন হেফজ সম্পন্ন করেছেন।
















গতিবিধি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। কা*শ্মীর নিয়ে ভারত আগ্রাসী আচরণ করছে বলে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন।মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তে রীতিমত অসন্তুষ্ট পাকিস্তান। তীব্রপ্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি।তিনি জানিয়েছেন,

ভারত-শাসিত জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যকে বিশেষ সুবিধা দিয়ে স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধানে ৩৭০ ধারা অন্তর্ভূক্ত করে ১৯৪৯ সালে। এর ফলে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতীয় অংশ পায় বিশেষ মর্যাদা। সেই ৭০ বছরের ‘ঐতিহ্য’-কে তুড়ি মেরে তুলে দিলো ব্যাপক ভোটে দ্বিতীয়বারের মতো নির্বাচিত বিজেপি সরকার।

১৯৪৭ সালে দেশভাগের মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তান নামের পৃথক রাষ্ট্র। কিন্তু, জম্মু-কাশ্মীরের অধিকাংশ জনগণ মুসলমান হলেও রাজ্যটির হিন্দু রাজা হরি সিং ভারতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন, পাকিস্তানি সেনা অভিযান ও স্থানীয় কাশ্মীরী গোত্রপতিদের হরি সিং বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনের প্রেক্ষিতে।

১৯৪৮ সালে জাতিসংঘে কাশ্মীর ইস্যু উত্থাপিত হলে সেখানে কাশ্মীরীদের ভারত অথবা পাকিস্তানে যোগ দেওয়ার বিষয়ে গণভোট অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু, সেই গণভোট আজো অনুষ্ঠিত হয়নি। জম্মু-কাশ্মীরের ভারতীয় অংশের জন্যে দিল্লি সরকার বেছে নেয় ‘বিশেষ সুবিধা’ দেওয়ার পথ।

সেই বিশেষ সুবিধার প্রেক্ষিতে জম্মু-কাশ্মীর ভারত ইউনিয়নের অংশ হয়েও ছিলো অন্য রাজ্যগুলো থেকে আলাদা। গতকাল (৫ আগস্ট) অনেকটা আকস্মিকভাবেই সেই বিশেষ সুবিধা সম্বলিত ৩৭০ ধারা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, জম্মু-কাশ্মীর রাজ্যে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ লাদাখ অঞ্চলকে আলাদা করে ‘জম্মু-কাশ্মীর’ এবং ‘লাদাখ’ নামে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার ঘোষণা দেওয়া হয়।

সেই ঘোষণাটি আকস্মিক হলেও এর পেছনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছিলো দীর্ঘ ও ব্যাপক প্রস্তুতি। ভারতীয় দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে আজ (৬ আগস্ট) জানা যায়, ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে জম্মু-কাশ্মীরে পাঠানো হয়েছিলো ২ হাজার স্যাটেলাইট ফোন, ড্রোন ও ৩৫ হাজার বাড়তি সেনা সদস্য। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিলো সাধারণ মোবাইল ফোন সংযোগ ও ইন্টারনেট সেবা।










মোদি সরকার নিশ্চিত ছিলো যে এমন ঘোষণার পর আবার বিক্ষুদ্ধ হয়ে উঠতে পারে জম্মু-কাশ্মীর। গ্রেপ্তার করা হয়েছে রাজ্যের দুই সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রধান ওমর আবদুল্লাহ এবং পিপলস ডেমোক্রেটিক পার্টির মেহবুবা মুফতিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিকদলগুলোর শীর্ষ নেতাদের। কিন্তু, বিজেপির সাবেক রাজনৈতিক মিত্র ও জম্মু-কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা যখন বলেন, “কাশ্মীরে ভারতের আগ্রাসন চলছে” তখন তার বক্তব্যে সেই অঞ্চলের প্রকৃত চিত্রের একটা আভাস পাওয়া যায়